১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খতনা করাতে গিয়ে শিশুর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে এক শিশুর পুরুষাঙ্গের সামনের অংশ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে কথিত এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় শুক্রবার (১০ এপ্রিল) একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী পরিবার মোহাম্মদপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ মার্চ সকালে ঢাকা উদ্যান এলাকার ‘খলিল মেডিকেল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে শিশু আতিকুর রহমানকে খতনা করানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। খতনার সময় চিকিৎসকের অবহেলায় শিশুটির পুরুষাঙ্গের সামনের অংশে গুরুতর ক্ষতি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন ওই ভুয়া চিকিৎসক। হাসপাতালে নেওয়ার পর রক্তপাত বন্ধ হলেও এ ঘটনায় শিশুটির স্বাভাবিক জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার।

পরিবারের অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার পর ক্ষতিপূরণ ও দায় স্বীকারের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক কোনও সমাধান না দিয়ে উল্টো তাদের হুমকি-ধমকি দিয়ে ফিরিয়ে দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খলিল মেডিক্যাল নামের ওই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক খলিল আদতে কোনও চিকিৎসক নন; তিনি মূলত একজন ফার্মাসিস্ট। তার ফার্মাসিস্ট নম্বর এ-১০৩০৪৫।

এ বিষয়ে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের এডিসি জুয়েল রানা বলেন, এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় খলিল মেডিকেলের পরিচালক খলিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ঘটনার দায় প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন।

Tag :
About Author Information

Mohon

মায়াবী চিত্রা হরিণটির পা চেপে ধরেছেন একজন, অন্যজন কোপাচ্ছেন দা দিয়ে

খতনা করাতে গিয়ে শিশুর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগ

Update Time : ১২:১২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে এক শিশুর পুরুষাঙ্গের সামনের অংশ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে কথিত এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় শুক্রবার (১০ এপ্রিল) একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী পরিবার মোহাম্মদপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ মার্চ সকালে ঢাকা উদ্যান এলাকার ‘খলিল মেডিকেল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে শিশু আতিকুর রহমানকে খতনা করানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। খতনার সময় চিকিৎসকের অবহেলায় শিশুটির পুরুষাঙ্গের সামনের অংশে গুরুতর ক্ষতি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন ওই ভুয়া চিকিৎসক। হাসপাতালে নেওয়ার পর রক্তপাত বন্ধ হলেও এ ঘটনায় শিশুটির স্বাভাবিক জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার।

পরিবারের অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার পর ক্ষতিপূরণ ও দায় স্বীকারের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক কোনও সমাধান না দিয়ে উল্টো তাদের হুমকি-ধমকি দিয়ে ফিরিয়ে দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খলিল মেডিক্যাল নামের ওই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক খলিল আদতে কোনও চিকিৎসক নন; তিনি মূলত একজন ফার্মাসিস্ট। তার ফার্মাসিস্ট নম্বর এ-১০৩০৪৫।

এ বিষয়ে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের এডিসি জুয়েল রানা বলেন, এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় খলিল মেডিকেলের পরিচালক খলিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ঘটনার দায় প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন।