০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নতুন করে চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান

জাপানের নিগাতা অঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া নতুন করে চালুর সিদ্ধান্ত অনুমোদনের পথে রয়েছে। ২০১১ সালের ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পর পারমাণবিক শক্তিতে ফেরার ক্ষেত্রে এটি জাপানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
টোকিও থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এ কেন্দ্রটি টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (টেপকো) পরিচালনা করবে, যারা আগে ফুকুশিমা দাইচি কেন্দ্রও পরিচালনা করত। অনুমোদন মিললে আগামী ২০ জানুয়ারি সাতটি চুল্লির মধ্যে প্রথমটি চালুর কথা ভাবছে টেপকো।
জাপান আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে ৩৩টি সচলযোগ্য চুল্লির মধ্যে ইতোমধ্যে ১৪টি চালু করেছে। কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া চালু হলে টোকিও অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় ২ শতাংশ বাড়তে পারে।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়ে গেছে। জরিপে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন কেন্দ্রটি চালুর প্রয়োজনীয় শর্ত এখনো পূরণ হয়নি এবং টেপকোর পরিচালনা নিয়ে তারা শঙ্কিত।
নিগাতার গভর্নর হিদেয়ো হানাজুমি কেন্দ্রটি চালুর পক্ষে অবস্থান নিলেও ভবিষ্যতে পারমাণবিক শক্তির ওপর নির্ভরতা কমানোর আশা প্রকাশ করেছেন। আজ প্রাদেশিক পরিষদে তাঁর ওপর আস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হবে, যা কার্যত এ সিদ্ধান্তের ওপর জনমত যাচাই হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জাপানের সরকার ও প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং উচ্চ ব্যয়ের জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় চালুর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

রাজশাহীকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাকেরগঞ্জের মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নতুন করে চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান

Update Time : ০১:১৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

জাপানের নিগাতা অঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া নতুন করে চালুর সিদ্ধান্ত অনুমোদনের পথে রয়েছে। ২০১১ সালের ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পর পারমাণবিক শক্তিতে ফেরার ক্ষেত্রে এটি জাপানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
টোকিও থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এ কেন্দ্রটি টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (টেপকো) পরিচালনা করবে, যারা আগে ফুকুশিমা দাইচি কেন্দ্রও পরিচালনা করত। অনুমোদন মিললে আগামী ২০ জানুয়ারি সাতটি চুল্লির মধ্যে প্রথমটি চালুর কথা ভাবছে টেপকো।
জাপান আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে ৩৩টি সচলযোগ্য চুল্লির মধ্যে ইতোমধ্যে ১৪টি চালু করেছে। কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া চালু হলে টোকিও অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় ২ শতাংশ বাড়তে পারে।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়ে গেছে। জরিপে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন কেন্দ্রটি চালুর প্রয়োজনীয় শর্ত এখনো পূরণ হয়নি এবং টেপকোর পরিচালনা নিয়ে তারা শঙ্কিত।
নিগাতার গভর্নর হিদেয়ো হানাজুমি কেন্দ্রটি চালুর পক্ষে অবস্থান নিলেও ভবিষ্যতে পারমাণবিক শক্তির ওপর নির্ভরতা কমানোর আশা প্রকাশ করেছেন। আজ প্রাদেশিক পরিষদে তাঁর ওপর আস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হবে, যা কার্যত এ সিদ্ধান্তের ওপর জনমত যাচাই হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জাপানের সরকার ও প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং উচ্চ ব্যয়ের জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় চালুর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।