০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনের আগে তালেবান সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তার ঢাকা সফর ঘিরে আলোচনা, কৌতুহল

বাংলাদেশের পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যখন মাত্র দেড় মাস বাকি, তখন ঢাকা সফর করলেন আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফার্স্ট পলিটিক্যাল ডিভিশনের মহাপরিচালক নূর আহমাদ নূর।

এক সপ্তাহের সফরকালে তিনি বাংলাদেশ খেলাফতে মসলিসের আমির মামুনুল হকসহ ইসলামপন্থী বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হতে দেখা যাচ্ছে।

এছাড়া ঢাকা ও এর আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার বেশকিছু মাদ্রাসাও পরিদর্শন করতে দেখা গেছে মি. নূরকে।

এর আগে, গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ইসলামপন্থী সাতজন নেতা ও পণ্ডিত বাংলাদেশ থেকে আফগানিস্তান সফরে গিয়েছিলেন, যাদের মধ্যে খেলাফত মজলিসের আমির মি. হকও ছিলেন।

সফর নিয়ে তখন তিনি জানিয়েছিলেন, তালেবান সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও কর্মকর্তার সঙ্গে তাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তালেবান সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলেও জানিয়েছিলেন মি. হক।

ওই ঘটনার তিন মাসের মাথায় তালেবান সরকারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা ঢাকা সফর করলেন।

তালেবান সরকারের পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে মি. নূরকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অন্যদেশের কাছ থেকে তালেবান সরকারের পক্ষে স্বীকৃতি আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এরই অংশ হিসেবে গত জুলাইয়ে মি. নূর পাকিস্তান সফরেও গিয়েছিলেন। কিন্তু সেটি ছিল রাষ্ট্রীয় সফর।

Tag :
About Author Information

Mohon

জনপ্রিয় খবর

রাজশাহীকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাকেরগঞ্জের মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

নির্বাচনের আগে তালেবান সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তার ঢাকা সফর ঘিরে আলোচনা, কৌতুহল

Update Time : ০৪:৪৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যখন মাত্র দেড় মাস বাকি, তখন ঢাকা সফর করলেন আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফার্স্ট পলিটিক্যাল ডিভিশনের মহাপরিচালক নূর আহমাদ নূর।

এক সপ্তাহের সফরকালে তিনি বাংলাদেশ খেলাফতে মসলিসের আমির মামুনুল হকসহ ইসলামপন্থী বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হতে দেখা যাচ্ছে।

এছাড়া ঢাকা ও এর আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার বেশকিছু মাদ্রাসাও পরিদর্শন করতে দেখা গেছে মি. নূরকে।

এর আগে, গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ইসলামপন্থী সাতজন নেতা ও পণ্ডিত বাংলাদেশ থেকে আফগানিস্তান সফরে গিয়েছিলেন, যাদের মধ্যে খেলাফত মজলিসের আমির মি. হকও ছিলেন।

সফর নিয়ে তখন তিনি জানিয়েছিলেন, তালেবান সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও কর্মকর্তার সঙ্গে তাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তালেবান সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলেও জানিয়েছিলেন মি. হক।

ওই ঘটনার তিন মাসের মাথায় তালেবান সরকারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা ঢাকা সফর করলেন।

তালেবান সরকারের পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে মি. নূরকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অন্যদেশের কাছ থেকে তালেবান সরকারের পক্ষে স্বীকৃতি আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এরই অংশ হিসেবে গত জুলাইয়ে মি. নূর পাকিস্তান সফরেও গিয়েছিলেন। কিন্তু সেটি ছিল রাষ্ট্রীয় সফর।